Ticker

6/recent/ticker-posts

নাগেশ্বরীতে এমপির সঙ্গে দেখা নিয়ে বিতর্ক, মুখোমুখি ভিন্ন বক্তব্য দুই পক্ষের



 

👨‍🦱 নাগেশ্বরীর আপডেট নিউজ প্রতিবেদন 🔰প্রকাশ : ১৮ আগষ্ট ২০২৬, ১২:০৩ পিএম


নাগেশ্বরী প্রতিনিধি:

কুড়িগ্রাম-১ আসনের সংসদ সদস্য মো. আনোয়ারুল ইসলামের সঙ্গে দেখা করতে গিয়ে সময় না পাওয়ার অভিযোগ তুলে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)-এর নাগেশ্বরী উপজেলা শাখার সভাপতি মো. রবিউল ইসলাম। একই সঙ্গে এমপির ব্যক্তিগত সহকারী (পিএস) এরশাদুল হকের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন তিনি।

সোমবার (১৭ আগস্ট) নিজের ফেসবুক পোস্টে এ ক্ষোভ প্রকাশ করেন রবিউল ইসলাম। তাঁর দাবি, নাগেশ্বরীতে এসএসসি, দাখিল ও সমমান পরীক্ষায় A+ পাওয়া শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে এমপি মো. আনোয়ারুল ইসলাম উপস্থিত থাকবেন জানতে পেরে সকাল ১০টা ১৫ মিনিটে তিনি সেখানে যান।

রবিউল ইসলামের ভাষ্য, এমপির সঙ্গে কথা বলতে চাইলে পিএস এরশাদুল হক তাঁকে জানান, এমপি অন্য একটি মিটিংয়ে আছেন। তবে রবিউল ইসলামের দাবি, ওই সময় এমপি নাগেশ্বরী জামায়াতের কার্যালয়ে ছিলেন। অনুষ্ঠান শেষ হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করেও তিনি এমপির সঙ্গে কথা বলার সুযোগ পাননি বলে অভিযোগ করেন।

তবে বিষয়টি নিয়ে ভিন্ন বক্তব্য দিয়েছেন এমপির পিএস এরশাদুল হক। নাগেশ্বরীর আপডেট নিউজের প্রতিনিধির সঙ্গে মোবাইল ফোনে আলাপকালে তিনি বলেন, রবিউল ইসলাম আগেই এমপির সঙ্গে দেখা করার কথা জানিয়েছিলেন। তখন তাঁকে বলা হয়েছিল, সকালে নাগেশ্বরী উপজেলা হলরুমে A+ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে এমপি থাকবেন এবং সেখানেই দেখা করতে পারবেন।

এরশাদুল হকের দাবি, অনুষ্ঠান শেষে রবিউল ইসলামের সঙ্গে এমপি আনোয়ারুল ইসলামের সাক্ষাৎ হয়। এ সময় রবিউল ইসলাম উপজেলার বিভিন্ন অনুষ্ঠানে তাঁদের না ডাকাসহ বিভিন্ন বিষয়ে কথা বলেন। জবাবে এমপি বিষয়টি নিয়ে নাগেশ্বরী উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি মো. শহিদুল ইসলামের সঙ্গে কথা বলতে বলেন।

পিএস আরও জানান, এরপর ভুরুঙ্গামারীতে A+ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার জন্য এমপিকে দ্রুত চলে যেতে হয়। তিনি বলেন, “এমপি স্যার অনেক ভালো মানুষ। কেউ দেখা করতে চাইলে তিনি না বলেন না, দেখা করেন। তবে তাঁর বিভিন্ন কর্মসূচি ও ব্যস্ততা থাকায় সব সময় সবার সঙ্গে দেখা করা সম্ভব হয় না।”

অন্যদিকে, রবিউল ইসলাম তাঁর ফেসবুক পোস্টে প্রশ্ন তোলেন, “এমপি জনগণের সেবক হয়ে যদি জনগণকে সময় দিতে না পারেন, তাহলে বৈষম্য দূর হলো কীভাবে?” পাশাপাশি জনগণকে এমপির কাছ থেকে দূরে রাখার জন্য কোনো পদ্ধতি অবলম্বন করা হচ্ছে কি না, সে প্রশ্নও তোলেন তিনি।

পোস্টের শেষে রবিউল ইসলাম লেখেন, “সময় এক থাকে না, সময় পরিবর্তনশীল।”

তবে এমপির পিএস এরশাদুল হকের বক্তব্যে রবিউল ইসলামের অভিযোগের বিষয়ে ভিন্ন ব্যাখ্যা পাওয়া গেছে। ফলে বিষয়টি নিয়ে উভয় পক্ষের বক্তব্যে ভিন্নতা রয়েছে।


Post a Comment

0 Comments