👨🦱 নাগেশ্বরীর আপডেট নিউজ প্রতিবেদন 🔰প্রকাশ : ১৭ জুলাই ২০২৬, ১১:৩৩ এএম
নাগেশ্বরীর আপডেট নিউজ ডেস্কঃ
নাগেশ্বরী উপজেলা প্রশাসনের বিরুদ্ধে জুলাই বিপ্লবের আহত ও শহীদ পরিবারের যোদ্ধাদের অবমূল্যায়ন এবং অনুষ্ঠানকে রাজনৈতিক পুনর্বাসনের মঞ্চ বানানোর গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। গতকাল ১৬ জুলাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে আয়োজিত একটি কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তীব্র ক্ষোভ ও নিন্দা প্রকাশ করেছেন স্থানীয় জুলাই যোদ্ধা সানাউল কবির স্বাদ।
ফেসবুক পোস্টে তিনি এই ঘটনাকে শহীদ ও আহত যোদ্ধাদের আত্মত্যাগের সাথে "চরম তামাশা" এবং প্রশাসনের "ধৃষ্টতা" বলে উল্লেখ করেন।
সানাউল কবির স্বাদ তার পোস্টে অভিযোগ করেন, পুরো নাগেশ্বরী উপজেলায় শত শত জুলাই যোদ্ধা থাকা সত্ত্বেও প্রশাসনের পক্ষ থেকে মাত্র ১ জনকে চিঠি দেওয়া হয়েছে এবং কোনোমতে মাত্র ৩ জনকে ডেকে আনা হয়েছে।
"যে জুলাই যোদ্ধাদের রক্তের ওপর দাঁড়িয়ে আজ আপনারা বড় বড় চেয়ারে বসে আছেন, সেই প্রোগ্রামে স্বয়ং যোদ্ধাদের বসার জন্যই কোনো চেয়ার রাখা হয়নি! দেশের আসল নায়কদের দাঁড় করিয়ে রেখে আপনারা কোন মুখে প্রোগ্রামের নামে এই ভণ্ডামি করলেন?"
অনুষ্ঠানটির নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে ওই জুলাই যোদ্ধা দাবি করেন, বিপ্লবের বীরদের সম্মান জানানোর এই মঞ্চকে মূলত রাজনৈতিক মন জোগানোর এজেন্ডা হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে। তার দেওয়া তথ্যমতে, অনুষ্ঠানে ১৬ জন বিএনপি এবং ২ জন জামায়াত নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন। জুলাই আন্দোলনে তাদের অবদান নিয়ে প্রশ্ন তুলে তিনি একে "রাজনৈতিক পুনর্বাসনের মঞ্চ" হিসেবে আখ্যায়িত করেন।
তিনি স্পষ্ট ভাষায় মনে করিয়ে দেন যে, জুলাই বিপ্লব কোনো নির্দিষ্ট দলের একক সম্পত্তি নয়, বরং এটি ছাত্র-জনতার রক্তে কেনা স্বাধীনতা। সেখানে পুনরায় রাজনৈতিক ছড়ি ঘোরানোর চেষ্টা এবং প্রশাসনের তাতে অংশীদার হওয়া কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।
পোস্টের শেষাংশে সানাউল কবির স্বাদ বলেন, জুলাই যোদ্ধাদের অবমূল্যায়ন করার এই চেষ্টা সাধারণ ছাত্র-জনতা কখনোই মেনে নেবে না। আমাদের ভাইদের এভাবে অপমান করার জবাব প্রশাসনকে অবশ্যই দিতে হবে। তিনি এই পুরো ঘটনাকে একটি "প্রহসন" উল্লেখ করে এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এই পোস্টটি নিয়ে স্থানীয় সাধারণ মানুষ এবং ছাত্র-জনতার মাঝে ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে

0 Comments