👨🦱 নাগেশ্বরীর আপডেট নিউজ প্রতিবেদন 🔰প্রকাশ : ৩১ জুলাই ২০২৬, ১১:১২ এএম
মতামত | মোঃ সাদিকুল ইসলাম
রাজনীতি একটি দেশের পরিচালনা, নীতি নির্ধারণ এবং জনকল্যাণ নিশ্চিত করার অন্যতম প্রধান মাধ্যম। আদর্শগতভাবে রাজনীতির উদ্দেশ্য হওয়া উচিত জনগণের সেবা, নাগরিক অধিকার রক্ষা এবং রাষ্ট্রের উন্নয়ন। কিন্তু বাস্তবতায় অনেক ক্ষেত্রেই সেই লক্ষ্য থেকে সরে গিয়ে রাজনীতি ক্ষমতা দখল, প্রভাব বিস্তার এবং ব্যক্তিস্বার্থ রক্ষার হাতিয়ারে পরিণত হয়েছে।
লেখকের মতে, ক্ষমতাকেন্দ্রিক স্বার্থপরতা, অশুভ প্রতিযোগিতা এবং প্রতিহিংসাপরায়ণ রাজনৈতিক সংস্কৃতির সবচেয়ে বড় ভুক্তভোগী সাধারণ মানুষ। ক্ষমতার স্বাদ পাওয়ার পর তা ধরে রাখা কিংবা পুনরুদ্ধারের লড়াইয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে সৃষ্টি হয় পারস্পরিক বিদ্বেষ, অবিশ্বাস এবং সংঘাতের পরিবেশ। ফলে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার একটি দীর্ঘস্থায়ী চক্র তৈরি হয়, যার নেপথ্যে থাকে ক্ষমতার মোহ ও ব্যক্তিগত স্বার্থ।
এ ধরনের রাজনৈতিক সংঘাতের প্রভাব সবচেয়ে বেশি পড়ে খেটে খাওয়া মানুষের জীবনে। হরতাল, সহিংসতা, অচলাবস্থা ও অস্থিতিশীলতার কারণে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড ব্যাহত হয়, বাড়ে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম এবং তৈরি হয় নিরাপত্তাহীনতা। অথচ রাষ্ট্র পরিচালনার ব্যয় বহনকারী সাধারণ নাগরিকরাই বারবার তাদের মৌলিক অধিকার ও নিরাপত্তা থেকে বঞ্চিত হন।
লেখক আরও উল্লেখ করেন, নীতি-নৈতিকতাবিহীন ক্ষমতার লড়াইয়ে রাজনৈতিক নেতৃত্বের ব্যক্তিগত ক্ষতি তুলনামূলক কম হলেও সাধারণ মানুষকে এর চরম মূল্য দিতে হয়। তাই প্রতিহিংসার রাজনীতি পরিহার করে জনকল্যাণকেন্দ্রিক, দায়িত্বশীল ও গণমুখী রাজনৈতিক সংস্কৃতি গড়ে তোলার ওপর তিনি গুরুত্বারোপ করেন।
লেখকের মতে, ক্ষমতার মোহ ও ব্যক্তিস্বার্থের রাজনীতি থেকে বেরিয়ে এসে জনগণের কল্যাণকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া সম্ভব হলে তবেই দেশে টেকসই উন্নয়ন, শান্তি এবং রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে। :::

0 Comments