Ticker

6/recent/ticker-posts

কুড়িগ্রাম ভুরুঙ্গামারীতে গুদাম ভেঙে প্রায় ১০ হাজার কেজি সার নিয়ে গেল বিক্ষুব্ধ কৃষক


 

👨‍🦱 নাগেশ্বরীর আপডেট নিউজ প্রতিবেদন 🔰প্রকাশ : ২৩ আগষ্ট ২০২৬, ৫:১০ পিএম


ভূরুঙ্গামারী প্রতিনিধি: 

কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীতে সার না পেয়ে বিক্ষুব্ধ কৃষকেরা জোট বেঁধে এক ডিলার পয়েন্টের গুদামের দরজা ভেঙে প্রায় ১০ হাজার কেজি সার নিয়ে যাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় ১৯৭ বস্তা সার নিয়ে যাওয়ার কথা জানিয়েছে পুলিশ। পরে পুলিশের তৎপরতায় ৩৩ জন কৃষক ৩৩ বস্তা সার ফেরত দিয়েছেন।

রোববার (২৩ আগস্ট) সকাল ১১টার দিকে উপজেলার শিলখুড়ি ইউনিয়নের মেসার্স শাহ আমানত ডিলার পয়েন্টে এ ঘটনা ঘটে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, শিলখুড়ি ইউনিয়নের শাহ আমানত ট্রেডার্সের মালিক তাইফুর রহমান মুকুল পর্যাপ্ত বরাদ্দ পেলেও কৃষকদের মাঝে সার বিতরণে গড়িমসি করছিলেন। তার মোট বরাদ্দ ছিল ১ হাজার ৩২০ বস্তা সার। এর মধ্যে ডিলারের গুদামে ৩৪০ বস্তা সার মজুত ছিল বলে জানা গেছে।

রোববার সকাল থেকেই সারের জন্য ডিলার পয়েন্টে দুই শতাধিক কৃষক জড়ো হন। দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করেও ডিলার পয়েন্ট না খোলায় একপর্যায়ে ক্ষুব্ধ হয়ে কৃষকেরা গুদামের দরজা ভেঙে সার নিয়ে যেতে শুরু করেন।

খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং গুদামে থাকা অবশিষ্ট সার রক্ষা করে। পুলিশের তৎপরতায় ৩৩ জন কৃষক ৩৩ বস্তা সার ফেরত দিলেও বাকি সার উদ্ধারে চেষ্টা চলছে।

ভূরুঙ্গামারী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আজিমুদ্দিন বলেন, শিলখুড়ি ইউনিয়নে সারের চাহিদা প্রায় ৪ হাজার বস্তা। বিপরীতে বরাদ্দ ছিল ১ হাজার ৩২০ বস্তা। প্রকৃতপক্ষে উত্তোলন আরও কম ছিল। ফলে সার না পাওয়ার আশঙ্কা থেকেই কৃষকেরা গুদাম থেকে সার নিয়ে যান। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। মোট ১৯৭ বস্তা সার নিয়ে যাওয়ার কথা জানা গেছে। এর মধ্যে ৩৩ জন ৩৩ বস্তা ফেরত দিয়েছেন। বাকি সার উদ্ধারের চেষ্টা চলছে।

এ বিষয়ে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আব্দুল জব্বারের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি পরে কথা বলবেন বলে ফোন রেখে দেন।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) অমৃত দেবনাথ বলেন, তিনি সারাদিন জেলা মিটিংয়ে ছিলেন। তাই এ বিষয়ে তিনি অবগত নন বলে জানান।

Post a Comment

0 Comments