Ticker

6/recent/ticker-posts

কুড়িগ্রামে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সভাপতি-সম্পাদকসহ ৫ ছাত্রদল নেতাকে শোকজ


 

👨‍🦱 নাগেশ্বরীর আপডেট নিউজ প্রতিবেদন 🔰প্রকাশ : ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩:৪৯ পিএম


কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি:

দলীয় শৃঙ্খলা ও সাংগঠনিক নিয়ম ভঙ্গের গুরুতর অভিযোগে কুড়িগ্রামে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও ইউনিটের পাঁচ ছাত্রদল নেতাকে কারণ দর্শানোর (শোকজ) নোটিশ দেওয়া হয়েছে। গত ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে কুড়িগ্রাম জেলা ছাত্রদলের পক্ষ থেকে পৃথক চিঠির মাধ্যমে তাদের এ নোটিশ দেওয়া হয়।

নোটিশপ্রাপ্ত নেতারা হলেন— কুড়িগ্রাম পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট শাখা ছাত্রদলের সভাপতি আব্দুর রহমান সাব্বির তন্ময় ও সাধারণ সম্পাদক নাহিদ হাসান ইমন, মজিদা কলেজ শাখার সিনিয়র সহ-সভাপতি আরাফাত কবির আদর, কুড়িগ্রাম আলিয়া কামিল মাদ্রাসা শাখার সভাপতি জুলফিকার আলি এবং কুড়িগ্রাম সরকারি কলেজ শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক মারুফ আহমেদ মুরসালীন।

জেলা ছাত্রদলের দপ্তর সম্পাদক অর্ঘ্য দ্বীপ সাহা স্বাক্ষরিত পৃথক শোকজ নোটিশে বলা হয়েছে, দলীয় গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্বে থাকা অবস্থায় তাদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ভঙ্গের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে।

নোটিশে তাদের বিরুদ্ধে কেন শাস্তিমূলক সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে না, সে বিষয়ে পত্র প্রাপ্তির পরবর্তী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে কুড়িগ্রাম জেলা ছাত্রদলের সভাপতি আশরাফুল ইসলাম বিপুল ও সাধারণ সম্পাদক মো. সোহেল রানার কাছে সশরীরে উপস্থিত হয়ে ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়েছে।

এ বিষয়ে নোটিশপ্রাপ্ত কয়েকজন নেতার সঙ্গে কথা হলে তারা দাবি করেন, তারা শৃঙ্খলা ভঙ্গের মতো কোনো ঘটনা ঘটাননি। এমনকি তাদের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ কী, সেটিও তারা জানেন না।

তাদের অভিযোগ, বর্তমান জেলা সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের ‘কোরাম’ বা বলয়ের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত না থাকায় তারা রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হয়েছেন। শোকজের বিষয়ে এখনো জেলা ছাত্রদলের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের সঙ্গে তাদের সশরীরে সাক্ষাৎ বা কথা হয়নি বলেও জানান তারা।

নোটিশ সূত্রে জানা গেছে, নির্ধারিত ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে নোটিশপ্রাপ্ত নেতারা সশরীরে উপস্থিত হয়ে নিজেদের অবস্থান ও অভিযোগের বিষয়ে ব্যাখ্যা না দিলে তাদের বিরুদ্ধে পরবর্তী চূড়ান্ত সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে।

তবে নোটিশপ্রাপ্ত নেতাদের করা ‘কোন্দল’ ও ‘রাজনৈতিক প্রতিহিংসার’ অভিযোগের বিষয়ে কুড়িগ্রাম জেলা ছাত্রদলের সভাপতি আশরাফুল ইসলাম বিপুল ও সাধারণ সম্পাদক মো. সোহেল রানার বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।

উল্লেখ্য, শোকজের নোটিশগুলো ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ার পর বিষয়টি স্থানীয়ভাবে আলোচনায় আসে

Post a Comment

0 Comments